বঙ্গোপসাগর, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর ও ভুটানে হালকা মাত্রার তিনটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) দিনগত রাত ২টা ৫৯ মিনিটে বঙ্গপোসাগরে ৪ মাত্রায় ও বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ভোর ৫টা ৪২ মিনিটে মণিপুরের নোনি জেলায় ৩ দশমিক ৫ মাত্রার কম্পন রেকর্ড করা হয়। আর বুধবার রাত ১১টা ৩২ মিনিটে ৩ মাত্রার ভূমিকম্প হয় ভুটানে।
মধ্যরাতে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে কক্সবাজারের টেকনাফ। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাত ৩টা ২৯ মিনিটে টেকনাফ থেকে প্রায় ১১৮ কিলোমিটার দূরে এ ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়, যার মাত্রা ছিল ৪.০।
ভূকম্পনবিষয়ক আন্তর্জাতিক সাইট ভলকানো ডিসকভারি জানিয়েছে, টেকনাফে কম্পন খুবই অল্পমাত্রার হওয়ায় বেশিরভাগ মানুষ তা অনুভব করেননি। ভূমিকম্পটির গভীরতা সম্পর্কে তথ্য না দিলেও ইউরোপীয় ভূকম্পন সংস্থা ইএমএসসি জানিয়েছে, এটি মাটির ১০ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়েছিল।
☰
The Blog
আন্তর্জাতিক
ভুটান-মণিপুর-বঙ্গোপসাগরে ভূমিকম্প
বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
ভুটান-মণিপুর-বঙ্গোপসাগরে ভূমিকম্প
বঙ্গোপসাগর, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর ও ভুটানে হালকা মাত্রার তিনটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) দিনগত রাত ২টা ৫৯ মিনিটে বঙ্গপোসাগরে ৪ মাত্রায় ও বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ভোর ৫টা ৪২ মিনিটে মণিপুরের নোনি জেলায় ৩ দশমিক ৫ মাত্রার কম্পন রেকর্ড করা হয়। আর বুধবার রাত ১১টা ৩২ মিনিটে ৩ মাত্রার ভূমিকম্প হয় ভুটানে।
ভারতীয় মণিপুরের ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল স্থলভাগে। তবে স্থানীয়ভাবে কম্পন অনুভূত হলেও, মাত্র কম হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানা গেছে। এদিকে, উপকূল থেকে দূরে সমুদ্র এলাকায় কেন্দ্রস্থল হওয়ায় বঙ্গোপসাগরে হওয়া ভূমিকম্পের প্রভাব বাংলাদেশ কিংবা ভারতের কোনো উপকূলীয় অঞ্চলে পড়েনি।
এদিকে, মণিপুরে ভূমিকম্প হওয়ার পর বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে ভূমিকম্প হয়েছে বলে দাবি করেন অনেকে। তবে ঢাকার আবহাওয়া অফিসের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পেশাগত সহকারী নিজাম উদ্দীন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, মনিপুরে একটি ভূমিকম্পের খবর শুনেছি। আর বঙ্গোপসাগরে একটি ভূমিকম্প হয়েছে। রিখটার স্কেলে এটার মাত্রা ৪। এটা অনেক দূরে বিধায় আমাদের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হচ্ছে না। তাছাড়া এটার মাত্রাও কম।
তিনি বলেন, সাগরেও মাঝে মাঝে ভূমিকম্প হয়। ৭ মাত্রার কম্পন হলে তখন সুনামির সৃষ্টি হয়।
এর আগে গত শুক্রবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ৫ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এটিই ছিল অন্যতম তীব্র কম্পন, যা মুহূর্তে আতঙ্ক ছড়ায় পুরো শহরে। বহু মানুষ তড়িঘড়ি ঘর ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন। বহুতল ভবনের সিঁড়িতে এবং নিচে নামার পথে ছুটোছুটি শুরু হয়। বাসাবাড়ি, অফিস ও বাজার এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি।
