বৈদ্যুতিক সার্কিটে কোয়ান্টাম টানেলিং ও শক্তি পরিমাপের আবিষ্কারের জন্য এ বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিন মার্কিন গবেষক— জন ক্লার্ক, মিশেল দেভরেট ও জন এম মার্টিনিস। তারা তিনজনই যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষক।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে সুইডেনের স্টকহোমে নোবেল কমিটি এই ঘোষণা দেয়।
🔹 তাদের গবেষণার অবদান
তিন বিজ্ঞানী বৈদ্যুতিক সার্কিটে ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল টানেলিং ও শক্তির স্তর পরিমাপের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন।
তাদের এই গবেষণা পদার্থবিজ্ঞানের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে—
কত বড় কোনো বস্তু বা ব্যবস্থা কোয়ান্টাম জগতে প্রভাব ফেলতে পারে?
তারা এমন একটি হাতে ধরা যায় এমন সার্কিটে পরীক্ষা চালান, যেখানে কোয়ান্টাম টানেলিং ও শক্তির নির্দিষ্ট স্তর—দুটি বিষয়ই স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এটি ভবিষ্যতের কোয়ান্টাম কম্পিউটিং প্রযুক্তির ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
🔹 নোবেলজয়ীদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
জন ক্লার্ক
জন্ম ১৯৪২ সালে, যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজে।
১৯৬৮ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ায় অধ্যাপনা করছেন।
মিশেল দেভরেট
জন্ম ১৯৫৩ সালে, ফ্রান্সের প্যারিসে।
১৯৮২ সালে প্যারিস-সুড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।
জন এম মার্টিনিস
জন্ম ১৯৫৮ সালে।
ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৭ সালে পিএইচডি অর্জন করেন এবং সেখানেই অধ্যাপনা করছেন।
🔹 পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের ইতিহাস
এ পর্যন্ত ২২৬ জন বিজ্ঞানী পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন।
একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে জন বারডিন এই বিভাগে দুইবার নোবেল জয় করেন—দুবারই যৌথভাবে।
🔹 চিকিৎসায় নোবেল প্রাপ্তরা
গতকাল (সোমবার) ঘোষণা করা হয় ২০২৫ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নাম।
এই বিভাগে যৌথভাবে পুরস্কার পেয়েছেন ম্যারি ই. ব্রুনকো, ফ্রেড রামসডেল ও শিমন সাকাগুচি।
মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী নিয়ে যুগান্তকারী গবেষণার জন্য তারা এই স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।
📎 তথ্যসূত্র: [BBC News]
